সিপিএ’র ঢাকা সম্মেলন সংসদীয় গণতন্ত্র বিকাশ, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে : শিরীন শারমিন

 

ঢাকা, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ (বাসস) : স্পিকার ও সিপিএ চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেছেন, ঢাকায় অনুষ্ঠেয় ৬৩ম (সিপিএ) সম্মেলন কমনওয়েলথভুক্ত দেশসমূহে সংসদীয় গণতন্ত্রের বিকাশ, আইনের শাসন তথা সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আজ সিপিএ এর আসন্ন এ সম্মেলনের প্রস্তুতি উপলক্ষে সংসদ ভবন মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। এ সময় সিপিএ’র সেক্রেটারী জেনারেল আকবর খান, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ ও হুইপ ইকবালুর রহিম উপস্থিত ছিলেন। স্পিকার বলেন, ইন্টার পার্লমেন্টারিয়ান ইউনিয়নের (আইপিউ) সফল সম্মেলনের পর বাংলাদেশে অনুষ্ঠেয় কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি এসোসিয়েশনের (সিপিএ) এ সম্মেলন আরো সফলভাবে আয়োজনে সব রকম প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে। আগামী ১ থেকে ৮ নভেম্বর অনুষ্ঠেয় এ সম্মেলনে কমনওয়েলথভূক্ত ৫২টি দেশের ১৮০টি জাতীয় ও প্রাদেশিক সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার সংসদ সদস্য এবং অন্যান্য প্রতিনিধিসহ প্রায় ৬ শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেবেন। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিগণও সম্মেলনে অংশ নিবেন। আগামী ৫ নভেম্বর সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সম্মেলনের ভাইসপ্যাট্রন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সম্মেলনের উদ্বোধন করবেন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করবেন স্পিকার ও সিপিএ চেয়ারপার্সন ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। এবারের সম্মেলনের মূল প্রতিপাদ্য হচ্ছে ‘ কন্টিনিউয়িং টু এ্যানহান্স দ্যা হাই স্ট্যান্ডার্ড অব পারফরম্যান্স অব পার্লামেন্টারিয়ানস’। ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বি মিয়া এ সম্মেলনে বাংলাদেশ সংসদীয় প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিবেন। এদিকে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বিশেষ করে সিপিএ সেক্রেটারি জেনারেল জানান, এ সম্মেলনে জাতিগত ইস্যূ নিয়ে একটি কর্মশালা রয়েছে। এ কর্মশালায় রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে আলোচনা হতে পারে। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সেক্রেটারি জেনারেল আকবর খান বলেন, ‘ সম্মেলনে অনেক প্রতিনিধি অংশ নিবেন। কেউ কথা তুললে আমরাতো চুপ করে থাকতে পারি না।’ পরে স্পিকার বলেন, “সিপিএ সম্মেলনে আলোচনার বিষয়বস্তু আগে থেকেই নির্ধারিত হয়। সিপিএ’র নির্বাহী কমিটি এই আলোচ্য সূচি ঠিক করে। যখন এটি ঠিক করা হয়েছিল, তখন রোহিঙ্গা ইস্যূ সামনে আসেনি। তবে সিপিএ সম্মেলনে ‘হোয়াট ফ্যাক্টর ফুয়েল দ্যা রাইজ অব ডিফারেন্ট কাইন্ডস অব ন্যাশনালিজম’ এর ওপর একটি ওয়ার্কশপ অনুষ্ঠিত হবে । এই কর্মশালায় রোহিঙ্গা ইস্যূ নিয়ে আলোচনা হতে পারে। ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বলেন, আসন্ন সম্মেলনের প্রস্তুতির চূড়ান্ত পর্যায়ের কাজ চলছে। বিশেষ করে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ১৪শ’ প্রতিনিধির অংশ গ্রহণে ইতোমধ্যে দেশে অনুষ্ঠিত আইপিইউ সম্মেলনের নিশ্চিদ্র নিরাপত্তার অভিজ্ঞতা এবারও কাজে লাগানো হবে। চলতি বছরের এপ্রিলে ঢাকায় ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে সংসদ সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আবদুর রব হাওলাদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

x

Check Also

বিজয় দিবসে মধ্যম হালিশহর কলতান সংঘের শ্রদ্ধা নিবেদন

নগরীর বন্দর থানাধীন ৩৮ নং ওয়ার্ডস্থ সামাজিক সংগঠন “মধ্যম হালিশহর কলতান সংঘের” পক্ষে বন্দর রিপাব্লিক ...