নগরীতে দু’দিনে পৃথক সড়ক দূর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪ সহ নিহত ৮ জন…! কর্নফুলী ৫,ইপিজেড-১,পতেঙ্গা ১ বায়োজিতে ১

হোসেন বাবলাঃ২০ আগস্ট/চট্টগ্রাম ঃ

স্পট(বায়োজিদ ):চট্রগ্রাম মহানগরীতে ২০আগস্ট রোববার পৃথক দুটি দুর্ঘটনা ২জন নিহত এবং দুইজন আহত হয়েছে । সকাল ৮টার দিকে বায়োজিদ থানার ফায়ার স্টেশন এলাকায় বায়েজিদ বোস্তামী থানার এলাকায় যাত্রীবাহি বাসের ধাক্কায় এক রিকশা যাত্রী যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত রিকশা যাত্রীর (২৭) এর নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলাব্রত বলেন, সকালে বায়েজিদ এলাকায় ব্যাটারি চালিত রিকশাকে একটি বাস ধাক্কা দিলে এক যুবক আহত হয়। তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করে।

স্পট(ইপিজেড):সিইপিজেড রোববার সকাল ১১টার দিকে শহর থেকে আসা সিমেন্ট বাহী একটি ট্রাক পতেঙ্গা(ইপিজেড)গামী যাত্রীবাহী টেম্পু পিছন দিকে জোরে ধাক্কা দিলে নিকটস্থ নৌ-বাহিনীর স্কুল ড্রেস পরিহিত শিশু ও তার মা সড়কে ছিটকে পড়েন। একই থানার ব্যারিস্টার কলেজস্থ মেইন রোডে সড়ক দূর্ঘটনায় সন্ধ্যায় নারী শ্রমিক নিহত হয়েছেন। নিহত শ্রমিককে কভারভ্যান চাপাদিলে ঘটনাস্থলেই তার মাথা তেতলিয়ে যায় । তার আইডি কার্ড সূত্রে নিহত নারী শ্রমিক(ইয়ংওয়ান)এর কর্মরত এবং কার্ডে নাম বুঝা যাচ্ছেছিল না বলে জানান ইপিজেড থানার কর্মরত ডিউটি অফিসার ।
স্পট(পতেঙ্গা ):তাছাড়া শনিবার রাত ১ টার দিকে নগরীর পতেঙ্গা থানাধীন এলাকায় মোটর সাইকেল থেকে পড়ে তাসলিমা আক্তার নামে (২৩) এক তরুণীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত তাসলিমা কুমিল্লা জেলার কান্দিরপাড় এলাকার বাসিন্দা রোশন আলীর মেয়ে। থানার উপ সহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এস.আই) শফিকুল ইসলাম বলেন,শনিবার রাত ১ টার দিকে থানার স্টীল বাজার থেকে ৫০/৭০গজ দূরে এ দুর্ঘটনা ঘটে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই শীলাব্রত জানান, বন্ধুর সাথে বেড়াতে গিয়ে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত থেকে ফেরার পথে মোটরসাইকেল থেকে পড়ে যায় তাসলিমা। এ সময় পেছন থেকে আসা একটি লরি তাকে ধাক্কা দেয়। পরে তাকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। লাশটি বর্তমানে চমেক হাসপাতালের মর্গে রয়েছে ।

স্পট(কর্ণফুলি ব্রীজ ):শনিবার মধ্য রাতেই কর্ণফুলি নদীর শাহ আমানত সেতুর টোল প্লাজায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৪জন সহ মোট ৫জন নিহত হন। ঐ রাতে সেতুর টোল প্লাজায় দাঁড়িয়ে থাকা একটি অটোরিকশায় বাসের ধাক্কায় দুই শিশুসহ পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।নিহতদের মধ্যে এক দম্পতি ও তাদের দুই সন্তান রয়েছেন। তারা হলেন- সোহেল ও তার স্ত্রী বিলকিস এবং তাদের দুই শিশু সন্তান শারমিন ও সাব্বির। নিহত অপরজন এই পরিবারকে বহনকারী অটোরিকশাচালক। শনিবার মধ্যরাতে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে কর্ণফুলি থানার ওসি রফিকুল ইসলাম জানান।

এছাড়া নগরীর কয়েকটি স্থানে ছোট বড় এবং মাঝারি ধরনের দুর্ঘটনা ঘটে বলে গণমাধ্যম সুত্রে জানা গেছে। ভূক্তভোগীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, মূল সড়কে অসংখ্য ছোট-বড় গর্ত,পুল এবং টেব নালার কারণে গাড়ী নিয়ন্ত্রন এবং উল্টে গিয়ে কম বেশ দুর্ঘটনার জন্য দায়ি । তারা আরো বলেন, চসিক মাস দেড়েক আগে সড়কের কাজ করলে সামন্য বৃষ্টিতেই বড় বড় গর্ত হয়ে খানা-খন্দকে পরিনত হয়েছে। আর গর্ত ভরাট করতে এখন পুরো দু’ভাঙ্গা ইটে দিয়ে কোন মতে দায় সারছেন।বিষযটি দ্রুত পর্যালোচনা করে ব্যবস্থা নিতে ভূক্তভোগীরা অনুরোধ জানান।

x

Check Also

চট্টগ্রামে স্ত্রী বিরুদ্ধে স্বামীর নজির বিহীন সংবাদ সম্মেলন

(হোসেন বাবলা, ২৩ নভেম্বর:চট্টগ্রাম) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে বৃহস্পতিবার(২৩নভেম্বর) বিকেল ৩টায় পাচঁলাইশের এক মুসলিম পরিবারে পালক পিতা ...