সীতাকুণ্ডের আরো ৩৮ শিশু অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত

সীতাকুণ্ড উপজেলার দুর্গম পাহাড়ি এলাকার ত্রিপুরা পাড়ার আরো ৩৮ শিশুর অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। গেল তিনদিনে এসব শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তবে চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন আজিজুর রহমান সিদ্দিকী আশ্বাস দিয়ে বলছেন, চিকিৎসাধীন এসব শিশু বিপদমুক্ত।

গায়ে জ্বর, ফুসকুড়ি, বমি ও পায়খানার সাথে রক্ত যাওয়াসহ নানা উপসর্গে দুই থেকে দশ বছর বয়সী শিশুরা অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাচ্ছে। এর মধ্যে গেল ৮ থেকে ১২ জুলাই এই চারদিনে শুধু ত্রিপুরা পাড়ায় নয় শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ১২ জুলাই দুপুর থেকে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে আক্রান্ত এলাকার ৪৬ শিশুকে ফৌজদারহাট বাংলাদেশ ট্রপিক্যাল অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজ (বিআইটিআইডি) ও চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।

১২ জুলাইয়ের পর থেকে তিনদিনে আরও ৩৮ শিশুকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। সবমিলে ৮৪ শিশু চিকিৎসাধীন। এর মধ্যে চট্টগ্রামে মেডিকেলে ৫০ জন বাকি ৩৪ জন ফৌজদারহাট বিআইটিআইডিতে।

গেল জুন মাসের শেষের দিকে শিশুরা অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হওয়া শুরু করে। তবে স্থানীয়ভাবে ঝাঁড়ফুক ও তাবিজ-কবজের মাধ্যমে শিশুদের সারিয়ে তোলার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয় ত্রিপুরা পাড়ার দরিদ্র শ্রমজীবী অভিভাবকরা।

এর মধ্যে এ ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ঢাকা থেকে ‘রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা’ প্রতিষ্ঠানের চার সদস্যের কমিটি এখানে আসে। তারা প্রাথমিকভাবে দীর্ঘদিনের অপুষ্টিকে চিহ্নিত করে গেছেন। রক্তশূন্যতা, অপুষ্টি ও শরীরে পটাশিয়ামের অভাবকে এ রোগের জন্য দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা।

x

Check Also

২০১৬-১৭ অর্থবছরে বিজেএমসির লোকসান কমেছে ১৭৫ কোটি টাকা

সদ্যবিদায়ী ২০১৬-১৭ অর্থবছরে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পাটকল করপোরেশনের (বিজেএমসি) লোকসান কমেছে ১৭৫ কোটি ৯১ লাখ ...