ইসলামের অন্যতম প্রধান নবী হজরত ইব্রাহিম (আ.) কে নিয়ে কটাক্ষ করলেন সাংবাদিক জ.ই. মামুন

এটিএন বাংলার সাংবাদিক জ.ই. মামুন প্রশ্ন তুলেছেন, “হযরত ইব্রাহিম কি করে মোছলমানের জাতির পিতা হন, তিনি তো অমুসলিম!”
লক্ষ করুন তার এতটুকু লেখার ভিতর দগদগে ইসলাম বিদ্বেষী আচরণ ফুটে উঠেছে। তিনি শব্দটি লিখলেন “মোছলমান”! যদি এই বানানটাই তিনি ব্যবহার করে থাকেন তাহলে শেষে কেন অমোছলিম না লিখে অমুসলিম শব্দটি লিখলেন? আসলে সে এখানে মুসলিমদের ব্যাঙ্গ করে শব্দটি লিখেছে। এই লিঙ্কে গেলে তার কমেন্ট খানি দেখতে পাবেন- https://goo.gl/TN5wEX

তার এই কমেন্টের পরে শাহাবগী খাটযোদ্ধা, বলগার Omi Rahman Pial বেশ মজা পেয়ে এটা নিয়ে স্ট্যাটাস দেওয়ার ইচ্ছা পোষন করেন এবং অবশেষে একটি নাতিদীর্ঘ স্ট্যাটাস প্রসব করিলেন। সেখানে তিনি প্রশ্ন রাখিলেন,
“যদি ইব্রাহীম (আঃ) মানব জাতির পিতা হন তাইলে হযরত আদম (আঃ) কি? তারপর এবং ইব্রাহিমের আগের নবীদের স্ট্যাটাস কি?

তিনি যদি মুসলিম সম্প্রদায়ের (মুসলমান কোনো জাতি না) পিতা হন তাইলে ইসলাম অবতরনের এতো আগে তিনি পিতা হইলেন ক্যামনে? তারে তো কোনো কিতাব দিয়া রাসুলও বানানো হয় নাই আল্লাহর তরফে। হইলেনই যখন তারপর আল্লাহ আহলে কিতাব কম দেন নাই। মুসলমানরা তাদের স্বজাতি না মাইনা খারিজ কইরা কতলের মিশন নিলো ক্যান?

আর যদি তিনি আরব জাতির পিতা হন তাইলে আমরা বাঙালি জাতি তারে পিতা মানুম ক্যান! আমরা তো আরব না…”” স্ট্যাটাস লিঙ্ক- https://goo.gl/fF9TWf

এখানে গেলে দেখবেন কিছু নাস্তিক ও হিন্দুরা বেশ মজা নিচ্ছেন। তিনি যে উত্তর দাবি করলেন সেই উত্তর দিতে গিয়ে দেখলাম তার কমেন্টের ফুটা আগে থেকেই বন্ধ করে উত্তর দাবি করছেন! তার লিষ্টে কিছু হিন্দু ও শাহবাগী নাস্তিক ছাড়া কেউ নেই। তারা কিভাবে ইসলামের উত্তর দিবে??

এই মুর্খ জানেনা ইসলাম চলে শুধুমাত্র কোরআন ও হাদিসের উপর নির্ভর করে। আর কুরআন অনুযায়ী, মহানবী মুহাম্মাদ (সা.) দুনিয়াতে হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এর দ্বীন নিয়েই এসেছিলেন।

– “বল: ‘আমার প্রতিপালক তো আমাকে সরল পথ প্রদর্শন করেছেন। এটাই সুপ্রতিষ্ঠিত দ্বীন, ইব্রাহিমের ধর্মাদর্শ। সে ছিল একনিষ্ঠ এবং সে অংশীবাদীদের অন্তর্ভূক্ত ছিল না।’”
[আল কুরআন ৬:১৬১]

– “তোমরা তোমাদের পিতা ইব্রাহীমের ধর্মে কায়েম থাক। তিনিই তোমাদের নাম মুসলমান রেখেছেন পূর্বেও এবং এই কোরআনেও, যাতে রসূল তোমাদের জন্যে সাক্ষ্যদাতা এবং তোমরা সাক্ষ্যদাতা হও মানবমন্ডলির জন্যে।” [আল কুরআন ২২:৭৮]

– “যে আল্লাহর নির্দেশের সামনে মস্তক অবনত করে সৎকাজে নিয়োজিত থাকে এবং ইব্রাহীমের ধর্ম অনুসরণ করে, যিনি একনিষ্ঠ ছিলেন, তার চাইতে উত্তম ধর্ম কার? আল্লাহ ইব্রাহীমকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছেন।” [আল কুরআন ৪:১২৫]

– ইব্রাহীমের ধর্ম থেকে কে মুখ ফেরায়? কিন্তু সে ব্যক্তি, যে নিজেকে বোকা প্রতিপন্ন করে। নিশ্চয়ই আমি তাকে পৃথিবীতে মনোনীত করেছি এবং সে পরকালে সৎকর্মশীলদের অন্তর্ভুক্ত। [আল কুরআন ২:১৩০]

এসব জ.ই. মামুন বা অমি পিয়ালরা সব সময় চেষ্টায় থাকে ইসলামকে বিতর্কিত করতে, ইসলামকে অপমান করতে। আমরা চুপ থাকি বিধায় এসব মানুষরূপী জানোয়ার গুলোর স্পর্ধা দিন দিন আকাশ্চুম্বী হয়ে যাচ্ছে! কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাসের নবী ইব্রাহিম (আ.)-কে নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করায় এই দুই জানোয়ারের শাস্তি দাবি করছি। এছাড়া এদেকে যেখানে পাওয়া যাবে সেখানেই জুতাপেটা করা সময়ের দাবি।

x

Check Also

আওয়ামী লীগের টার্গেট নারী ও নতুন ভোটার

    আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কোন ...