চট্টগ্রামে গৃহিণীদের আস্থা ওয়ালটন ফ্রিজে

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়মনগর গ্রামের গৃহিণী রহিমা আক্তার লুনা। বিয়ের পর ২০০৯ সালে বাসার জন্য কিস্তি সুবিধায় কিনেছিলেন ওয়ালটন ফ্রিজ। ছয় মাসে কিস্তি শোধ করে দিয়েছেন।

২০০৯ সাল থেকে ২০১৭ পর্যন্ত টানা ৮ বছর নিরবচ্ছিন্ন চলছে এই ফ্রিজ। একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি। নিতে হয়নি সার্ভিসিং সেন্টারে। গত ৮ বছরে ফ্রিজে কোনো ছোট-বড় সমস্যাও দেখা দেয়নি।

উত্তর রাঙ্গুনিয়ার মোগলের হাট গ্রামের গৃহিণী পারভীন আক্তার জানালেন, গত ৭ বছর ধরে তিনি ওয়ালটনের ফ্রিজ এবং চার বছর ধরে ব্যবহার করছেন একই ব্র্যান্ডের এলইডি টেলিভিশন। কোনো ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হননি। পণ্যের গুণগত মানের জন্য ওয়ালটনের প্রতিটি পণ্যের উপর আস্থা রাখছেন তিনি।

রহিমা ও পারভীন জানালেন, তাদের বাসায় ফ্রিজ, টেলিভিশন, ওভেন, ব্লেন্ডার, আয়রণসহ বিভিন্ন পণ্য রয়েছে ওয়ালটনের। ফ্রিজ ও টেলিভিশনের কোনো সমস্যা দেখা না দেওয়ায় মোবাইল ফোনসহ অন্যান্য পণ্যের উপরও তাদের আস্থা জন্মেছে।

চট্টগ্রাম মহানগরীসহ জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের গৃহিণীরা ওয়ালটনের পণ্যের উপর আস্থা রাখছেন। রাঙ্গুনিয়া উপজেলার দুই শতাধিক বাসায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তাদের প্রায় প্রত্যেকের বাড়িতে রয়েছে ওয়ালটনের পণ্য। বিশেষ করে গ্রামের প্রায় প্রতিটি বাড়িতেই আছে ওয়ালটনের ফ্রিজ।

রাঙ্গুনিয়ার কোদালা, শিলক, সরফভাটা, দক্ষিণ নিশ্চিন্তপুর, উত্তর রাঙ্গুনিয়া, মোগলের হাট, শান্তিনিকেতন, পোমরা, রোয়াজার হাট, ঘাটচেকসহ বিভিন্ন গ্রামে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে,  ওয়ালটনের ফ্রিজ নেই এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। গৃহিণীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তারা কারিগরি বিষয়টি বোঝেন না। কিন্তু বছরের পর বছর ব্যবহার করেও ওয়ালটন ফ্রিজে সমস্যা দেখা দেয় না। ফলে ওয়ালটনের ফ্রিজের উপর তারা আস্থা রাখেন।

রাঙ্গুনিয়ার রোয়াজার হাটের ওয়ালটনের ফ্রিজ বিক্রেতা লোকমান হোসেন জানান, তার দোকান থেকে প্রতিদিন গড়ে চারটি ফ্রিজ বিক্রি হয়। দোকানে অন্যান্য ব্র্যান্ডের ফ্রিজ থাকলেও প্রায় ক্ষেত্রেই বিক্রি হয় ওয়ালটনের ফ্রিজ। প্রতিমাসে কিছু সংখ্যক অন্যান্য ব্র্যান্ডের ফ্রিজ বিক্রি হলেও ওয়ালটনের ফ্রিজের বিক্রির হার ৯০ শতাংশের বেশি।

একই ধরনের কথা বলেন চন্দ্রঘোনার লিচুবাগানের ফ্রিজ বিক্রেতা মোহাম্মদ শাহেদ। রাইজিংবিডিকে শাহেদ বলেন, ‘আমার দোকানের অধিকাংশ ক্রেতা প্রত্যন্ত গ্রামের মহিলা এবং প্রবাসীদের স্ত্রী। এখানে ফ্রিজ বিক্রি বলতে ওয়ালটনই। অন্য ফ্রিজ তেমন বিক্রি হয় না। আমি অন্য ব্র্যান্ডের ফ্রিজ দোকানেও রাখি না।’

গরম পড়তে শুরু করায় ওয়ালটনের ফ্রিজ বিক্রিও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে বিক্রেতা লোকমান হোসেন ও মোহাম্মদ শাহেদ জানান।

x

Check Also

ঈদে মিলাদুন্নবী (দঃ)হচ্ছে মুসলিম মিল্লাতের ঐক্যের প্রতীক,সূফি মিজান

হোসেন বাবলা:১৯নভেম্বর বন্দর নগরীতে নগর গাউছিয়া কমিটির উদ্যোগে পবিত্র মাহে রবিউল আউয়াল উপলক্ষে স্বাগত জানিয়ে ...