চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে কোরিয়ান ইপিজেডের প্রায় ৯০ ভাগ ভূমি উন্নয়ন কাজ শেষ (ভিডিও)

চট্টগ্রামে কর্ণফুলী নদীর তীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ উন্মুক্ত এবং সবুজ এলাকা রেখে প্রায় ৯০ ভাগ ভূমি উন্নয়ন কাজ শেষ করেছে কোরিয়ান ইপিজেড। কর্তৃপক্ষের দাবি, পরিবেশবান্ধব বেসরকারি এই শিল্প এলাকায় বিনিয়োগকারীদের চাহিদা মতো দরকারি সব সুবিধা রাখা হয়েছে। তবে, বিনিয়োগ আকর্ষণে জমি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে সরকারের সহযোগিতা বাড়ানোর কথা বলছেন তারা।

সবুজে ঘেরা রাস্তার দু’পাশ, কৃত্রিম লেকের জলে পরিযায়ী পাখির জলকেলি আর পাহাড়ি অরণ্যে বিভিন্ন প্রাণীর অবাধ বিচরণ। এভাবেই প্রাকৃতিক পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করে চট্টগ্রামে প্রায় আড়াই হাজার একর জমিতে গত ১৭ বছর ধরে গড়ে তোলা হয়েছে কোরিয়ান ইপিজেডের অবকাঠামো। যেখানে বর্তমানে ২২টি কারখানায় জুতা, ব্যাগ, প্যাডিং, পোশাক তৈরিতে কাজ করছেন ১৭ হাজারের বেশি শ্রমিক।

গড়ে তোলা হচ্ছে কারখানা ও নকশা উন্নয়ন কেন্দ্র। আইটি পার্ক, ওষুধ ও কৃষিভিত্তিক শিল্প স্থাপনের জায়গা ছাড়াও বিশেষভাবে রাখা হয়েছে মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য জমি বরাদ্দের ব্যবস্থা।

কর্তৃপক্ষ বলছে, বড় বিনিয়োগ আকর্ষণে আইন মেনে সব সুবিধাই রয়েছে পরিবেশবান্ধব বেসরকারি এই ইপিজেডে।

কেইপিজেড করপোরেশন বাংলাদেশ লি.নির্বাহী পরিচালক মো. শাহজাহান বলেন, ‘বিনিয়োগকারীরা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে, পরিবেশের বিষয়টা বিবেচনা করে ইনভেস্ট করতে পারে এটা একটা বিরাট ব্যাপার। এতে করে বাংলাদেশের ইমেজটা বৃদ্ধি পাবে।’

কেইপিজেড করপোরেশন বাংলাদেশ লিমিটেডের প্রেসিডেন্ট জাহাঙ্গীর সাদাত বলেন, ‘সব কিছুই সম্ভব হচ্ছে সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সহায়তার জন্যে। আমাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে। আমরা এটি পেয়ে গেলে কোরিয়ান ইপিজেড পরিপূর্ণভাবে কাজ শুরু করতে পারবে।

এই শিল্পাঞ্চলে পুরোদমে উৎপাদনে যেতে সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপ কামনা করেন তারা।

কর্তৃপক্ষ বলছে, এই ইপিজেডে কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে ১ লাখ মানুষের।

Loading Facebook Comments ...

Leave a Reply

x

Check Also

চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসককে সাঁতার ক্লাবের স্মারকলিপি

পানিতে ডুবে মৃত্যুরোধে স্থানীয় সরকারের স্ব স্ব এলাকায় ঈদের আগে অগ্রিম সর্তকতামুলক ব্যবস্থা গ্রহণে নিদের্শনা ...